রবিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১৭

হবিগঞ্জ অঞ্চলের প্রাচীনত্ব



            হবিগঞ্জ অঞ্চলের প্রাচীনত্ব : একটি পর্যালোচনা
 ------ মুহম্মদ সায়েদুর রহমান তালুকদার


আজকের বাংলাদেশ আর প্রাচীন বাংলার ভৌগোলিক অবস্থান এক নয়। নানা পর্যায় পেরিয়ে বাংলাদেশের মানচিত্র বর্তমান রূপ লাভ করেছে। ‘স্বাধীন সুলতানদের আমলে পূর্বে চট্টগ্রাম ও শ্রীহট্ট হতে রাজমহল অঞ্চল পর্যন্ত বাংলাদেশ বিস্তৃত ছিল’। তারও পূর্বে এর বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিল। হিন্দু ও বৌদ্ধ যুগে পশ্চিমবাংলা রাঢ় এবং উত্তরবাংলা বরেন্দ্র, লক্ষণাবতী ও পুণ্ড্রবর্দ্ধণ নামে অভিহিত হত। উত্তর ও পশ্চিম বাংলার কিছু অংশ গৌড় নামে পরিচিত ছিল। পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা বঙ্গ, সমতট, বঙ্গাল, বাংলা ইত্যাদি নামে খ্যাত ছিল। ভক্তি রত্মাকর নামক গ্রন্থে ‘বঙ্গদেশ বলিতে পূর্ব্ববঙ্গ প্রধানত : শ্রীহট্ট, ময়মনসিংহ, ঢাকা প্রভৃতিই বুঝাইত।’
প্রাচীন বঙ্গের উত্তর পূর্ব কোনে শ্রীহট্টের অবস্থান। রিয়াজ-উস-সালাতীন, আইন-ই-আকবরী, মুঘল ভারতের কৃষি ব্যবস্থা প্রভৃতি গ্রন্থ থেকে জানা যায় শ্রীহট্ট পার্বত্য জনপদ হিসেবে অতীতে পরিচিত ছিল। অবশ্য পুরো ভূভাগই পার্বত্য অঞ্চল তা নয়। এর উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চল পর্বত দ্বারা বেষ্টিত। পশ্চিমাঞ্চল নিম্ন জলাভূমিতে পূর্ণ। মধ্যভাগে পূর্ব পশ্চিমে আংশিক ঢালু সমতল ভূমি। প্রাচীন পাহাড়, বিস্তীর্ণ সমতল ভূমি এবং নিম্ন জলাভূমিতে পূর্ণ। মধ্যভাগে পূর্ব পশ্চিমে আংশিক ঢালু সমতল ভূমি। প্রাচীন পাহাড়, বিস্তীর্ণ সমতল ভূমি এবং নিম্ন জলাভূমি এই তিন ধরনের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্যপূর্ণ বৃহত্তর সিলেটের আরো একটি ক্ষুদ্র সংস্করণ হবিগঞ্জ। এই সিলেট বিভাগের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে অবস্থিত এ জেলার চতুর্সীমা হচ্ছে, উত্তরে সুনামগঞ্জ জেলা, উত্তর-পূর্ব কোণে সিলেট জেলা, পূর্বে মৌলভীবাজার জেলা ও ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, দক্ষিণে ত্রিপুরা রাজ্য ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা, পশ্চিমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কিশোরগঞ্জ জেলা।
পূর্ব দিকের উঁচু পাহাড়ী ভূ-শ্রেণী ক্রমাবনত হয়ে জেলার পশ্চিম প্রান্তের নদী ও হাওরময় নিম্ন জলাভূমিতে মিশেছে। চিরহরিৎ বৃক্ষরাজি আর চা-রাবার বাগান সমৃদ্ধ অপূর্ব শোভাময় পাহাড় শ্রেণী, নানাবিধ ফসলের বিস্তীর্ণ মাঠ, সুস্বাদু মৎস্যের উন্মুক্ত আধার, ভূ-গর্ভস্থ বায়ো-সোনার (প্রাকৃতিক গ্যাস) বিশাল ভাণ্ডার এবং ওলি-আউলিয়াগণের পদধূলিতে ধন্য এ ভূ-খন্ড। নামের দিক থেকে না হলেও ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে হবিগঞ্জ যে বাংলাদেশের সবচাইতে প্রাচীন অঞ্চলের অন্তর্গত তাতে সন্দেহের কোনই অবকাশ নেই।
হবিগঞ্জ পরিক্রমায় ‘অন্তরে অণির্বাণ : হবিগঞ্জ আমার হবিগঞ্জ’ প্রবন্ধে হবিগঞ্জ অঞ্চলের পরিচিতি বর্ণনা করতে গিয়ে লেখা হয়েছে : হবিগঞ্জ জেলার পার্বত্য ত্রিপুরার পার্শ্ববর্তী উজান অঞ্চল থেকে মেঘনার উল্লিখিত বেসিনে পরিণত হওয়ার এই ভূ-প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য এমন আলাদা কিছু নয় যে, এই সীমিত ভূখণ্ডকে একেবারেই স্বতন্ত্রভাবে আমাদের দেখতে হবে। আসলে হবিগঞ্জের অবস্থান তার দেশগত বিশাল ক্যানভাসে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন। লেখকের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে অত্যন্ত বিনয়ের সাথেই বলতে চাই- হবিগঞ্জকে ‘একেবারেই স্বতন্ত্রভাবে’ দেখার প্রয়োজন নেই বটে কিন্তু ‘এমন আলাদা কিছু নয় যে’ কথাটার সাথে ঐকমত্য পোষণ করতে কষ্ট হচ্ছে। অবশ্যই হবিগঞ্জকে তার দেশগত ক্যানভাসে মিলিয়ে দেখা প্রয়োজন। কিন্তু ঐতিহাসিক বাস্তবতা এমন যে, দেশগত বিশাল ক্যানভাসও মাত্র কয়েক গজ কিংবা কয়েকশ গজ ভূমিতে প্রাপ্ত প্রত্ন নিদর্শন দ্বারা চিত্রিত হয়। পরিচিত হয় নতুন অবয়বে, উন্মোচিত হয় তমশাঘেরা অতীত। হরপ্পা-মহেঞ্জোদারো প্রত্নস্থল সমগ্র উপমহাদেশের অতীত ইতিহাসকে মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত করেছে। উয়ারী বটেশ্বর প্রত্নস্থল নিকট ভবিষ্যতে এদেশের প্রাচীন ইতিহাসকে দারুণভাবে প্রভাবিত করবে এমনটি অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করেন। চাকলাপুঞ্জি প্রত্নস্থলে প্রাপ্ত নিদর্শনেও অনুরূপ হাতছানি বিদ্যমান।
ভূতাত্ত্বিক বিশ্লেষণ এবং প্রত্ননিদর্শনের ভিত্তিতে প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে যদি দেখা যায় যে, বাংলাদেশের মাটি এবং মানব বসতির আদি সূত্রের সাথে হবিগঞ্জ অঞ্চল নিবিড়ভাবে গ্রথিত, কোটি কোটি বৎসর পূর্বেই হবিগঞ্জের মাটি উত্থিত হয়েছিল, চার-পাঁচ হাজার বছর পূর্বেই হবিগঞ্জ অঞ্চলে মানব বসতি ছিল -  তবে কি হবিগঞ্জবাসী গর্ববোধ করবে না?
প্রসঙ্গত  চাকলাপুঞ্জি প্রত্নস্থলের কথা বলা যেতে পারে। ১৯৯৬ খ্রি: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের এক দল গবেষক অনুসন্ধান করে হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলাধীন চাকলাপুঞ্জি চা বাগান এলাকায় একটি প্রাগৈতিহাসিক প্রত্নস্থল আবিষ্কার করেন। ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের হাওড়া ও খোয়াই উপত্যকার প্রাগৈতিহাসিক প্রত্নস্থল থেকে আনুমানিক ১০ কি.মি. দূরত্বে বাংলাদেশ অংশে এর অবস্থান। ২০০২ খ্রি. পর্যন্ত এখান থেকে মোট ২৪২ টি প্রস্তর যুগের হাতিয়ার, ৩০৬ টি ফ্লেক এবং ৪৭৭ টি সাধারণ প্রত্নবস্তু সংগৃহীত হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এর মধ্যে অনেকগুলিই নব্যপ্রস্তর যুগের পূর্ববর্তী সময়ের (প্রত্নপ্রস্তর যুগের)। ত্রিপুরা রাজ্যের প্রত্নস্থল থেকে একটি রেডিও কার্বন তারিখ পাওয়া গেছে আনুমানিক ১৫০০ খ্রি.পূ.। সে হিসেবে ত্রিপুরা প্রত্নস্থল বর্তমান কাল থেকে অন্তত সাড়ে তিন হাজার বছর পূর্বকালের। চাকলাপুঞ্জি প্রত্নস্থল প্রত্নপ্রস্তর যুগের হওয়ায় এর সময়কাল খ্রি.পূ. ২০০০ অব্দ অনুমান করা অসঙ্গত হবে না।
এ জন্য কোন অজানা তথ্য আবিস্কারের কঠিন পন্থা অবলম্বন না করেও বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন পুস্তকে স্থান পাওয়া ছোট ছোট তথ্য গ্রথিত করতে পারলে হবিগঞ্জের যে অবয়ব সৃষ্টি হবে তাতে আহলাদিত না হলেও অন্তত আত্মতৃপ্তির আমেজ পাওয়া যাবে। আঞ্চলিক স্বরূপ নির্ণয়ের জন্য এটা খুবই জরুরী। প্রত্যেকেই চায় একটি সুন্দর এবং সমৃদ্ধ অতীতের উত্তরাধিকার। যাদের অতীত সমৃদ্ধ তারা ঐতিহ্যের আভিজাত্যকে বক্ষে ধারণ করে সামনে অগ্রসর হন। যাদের অতীত নেই কিংবা অজ্ঞাত, তারা অতীত অন্বেষণের পাশাপাশি বর্তমানকে অলঙ্কৃত করেন সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতের জন্য। বিভিন্ন জেলা বা অঞ্চলভিত্তিক ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কিত পুস্তক রচনার অন্তর্নিহীত কারণ হয়তো এটাই।
হবিগঞ্জ অঞ্চল বর্তমানে বাংলাদেশের একটি জেলা হিসাবে সীমিত ভূখন্ডের ধারক হলেও অতীতে এর ভিন্ন ভিন্ন অংশ ভিন্ন ভিন্ন প্রশাসনিক ইউনিটের অধীন ছিল। সম্মিলিতভাবেও এ অঞ্চলটি সময়ে সময়ে নানা বৃহৎ প্রশাসনিক অঞ্চলের সাথে সংযুক্ত বা বিযুক্ত হয়েছে। এ জন্য হবিগঞ্জকে বর্তমান প্রেক্ষাপটে একক ভাবে কোন নির্দিষ্ট অঞ্চলের ইতিহাসে খুঁজে পাওয়া কষ্টকর। আমাদের স্বকীয়তার স্বরূপ বা আঞ্চলিক স্বাতন্ত্র্য নির্ধারণের জন্য ব্যাপক অনুসন্ধানের প্রয়োজন। ‘তরফের ইতিহাস’ থেকে ‘হবিগঞ্জ পরিক্রমা’ পর্যন্ত সুদীর্ঘ বিচ্ছিন্নতা না ঘটলে হয়তোবা আমরা আমাদের অতীতকে আরো জানতে পারতাম।
বিভিন্ন আলোচনা থেকে জানা গেছে যে, হবিগঞ্জ অঞ্চলের পাহাড়সমূহ টারশিয়ারী যুগের পাহাড় শ্রেণীর অন্তর্গত। প্রাগৈতিহাসিক কাল হতে ঐ সকল পাহাড়ের উপর দিয়ে প্রবাহিত নদীবাহিত পলি মাটিতে নিম্নভাগের ভূমি জেগে উঠেছে। ১৮৮৬ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত ‘শ্রীহট্ট দর্পন’ পুস্তকে রঘুনন্দন পাহাড়ের উচ্চতা প্রায় ১০০০ ফুট উল্লেখ করা হয়েছে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন বি.এড কোর্সের পাঠ্য ‘ভূগোল ও ভূগোল শিক্ষাদান’ পুস্তকে হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এলাকার পাহাড়গুলোর বর্ণনায় বলা হয়েছে- এদের উচ্চতা ২০০ ফুট থেকে ১০২০ ফুট। সিলেট ডিস্ট্রিক্ট গেজেটিয়ারে বর্ণিত হয়েছে, রঘুনন্দন পাহাড়ের উচ্চতা ৪০০ ফুটের উর্ধ্বে। অথচ বর্তমানে রঘুনন্দন পাহাড়ের সর্বোচ্চ টিলা ১০০ ফুট উঁচু হবে কি-না সন্দেহ। রঘুনন্দন পাহাড়ের উচ্চতা সম্পর্কিত ঐ সকল তথ্য যেমন আমাদেরকে অবাক করে তেমনি চুনারুঘাটে ১০ টি হাওরও আমাদেরকে সমধিক আশ্চর্য করে।
হবিগঞ্জ শহরের উজান ভাগে খোয়াই নদীর দিকে তাকালে আজ আর মনেই হয় না যে, কোনো কালে এর মধ্য দিয়ে বিশাল বিশাল নৌযান চলাচল করত। চুনারুঘাটের নামকরণের সাথেও এই নদীর বন্দর বা ঘাটের সম্পর্ক বিদ্যমান। এইতো ১৭৭৪ খ্রিষ্টাব্দের এক তথ্যে জানা যায় যে, এর মধ্য দিয়ে ত্রিপুরা অঞ্চলে চলাচল করত বিশাল নৌযান সমূহ। সে সময়ে লস্করপুর কাছারী আক্রমণ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট তহশিলের দায়িত্বপ্রাপ্ত মুতিউর রহমান হত্যাকান্ডের ঘটনা আপোষ মীমাংসায় মধ্যস্ততা করেছিলেন ত্রিপুরাধিপতি নিজে। তিনি মুতিউর রহমানের পুত্র রিয়াজুর রহমানকে সান্তনা দিতে তার অধিকারভুক্ত খোয়াই নদীতে ৪০টি নৌকা নিষ্কর চলাচলের অনুমতি প্রদান করেছিলেন। এ থেকে সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায় যে, এই নিকট অতীতেও খোয়াই নদীর নাব্যতা ত্রিপুরাভিমুখে মালবাহী বৃহৎ নৌযান চলাচলের উপযুক্ত ছিল। অথচ আজ তা অকল্পনীয়। প্রশ্ন জাগে, কোথায় গেল রঘুনন্দন পাহাড়ের সেই উচ্চতা এবং চুনারুঘাটের ১০ টি হাওর কিংবা খোয়াই নদীর সেই নাব্যতা ? এর উত্তরে শুধু এটুকুই বলা যেতে পারে যে, ভূমির অনবরত ক্ষয় যেমন পাহাড়ের উচ্চতা গ্রাস করেছে তেমনি ক্ষয়প্রাপ্ত পাহাড় থেকে ভেসে আসা পলি-বালিতে নিম্নভাগের জলাভূমিও বর্তমান সমভূমিতে হারিয়ে গেছে।
হবিগঞ্জের পাহাড়াঞ্চলের মাটি কতটা ক্ষয়প্রবণ তা জানার জন্য আজকের বালু মহালগুলির কথা ভাবুন। দেখবেন কেমন করে প্রতি বৎসর লক্ষ লক্ষ টন বালু এখান থেকে সরে যাচ্ছে। এতসব ক্ষয়প্রাপ্ত বালুতে আগে নিম্নাঞ্চলের জলভাগ ভরাট হয়েছে। এখনও হচ্ছে -  তবে এর সিংহভাগ নির্মাণ সামগ্রী বা ভিটেমাটি হিসেবে স্থানান্তরিত হয়ে যাচ্ছে। আজকে মনে হচ্ছে, প্রাগৈতিহাসিক কাল হতে মাত্রাতিরিক্ত ক্ষয়প্রবণ এই সমস্ত পাহাড়ের অনবরত ক্ষয়ে সিলেট অঞ্চলের সাগর সদৃশ বিশাল জলাশয় বা প্রাচীন কালীদহ সায়র - এ অঞ্চলের বর্তমান সমতল ভূমি এবং হাওর অঞ্চলে হারিয়ে যাওয়া খুবই স্বাভাবিক।
সিলেটের অংশবিশেষ এই হবিগঞ্জ অঞ্চলের ভূমি গঠনে প্রাকৃতিক প্রভাব খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানকার ভূমি যেমন বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন ভূমির শ্রেণীভুক্ত তেমনি উহা নবীন ভূমিরও অংশ বিশেষ। বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক তিনটি প্রধান ভাগেরই সমন্বয় ঘটেছে এখানে। একটি ক্ষুদ্র এলাকায় এ রকম সুসমন্বয় সচরাচর ঘটেনা। মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ সমৃদ্ধ বনাঞ্চল, বিস্তীর্ণ শস্য-শ্যামল মাঠ, সুস্বাদু মৎস্য সম্ভারে পরিপূর্ণ জলভাগ এবং অফুরন্ত প্রাকৃতিক সম্পদ নিয়ে গঠিত ভূমির এ বৈচিত্র্য হবিগঞ্জকে যেমন দিয়েছে সমৃদ্ধি, তেমনি দিয়েছে সুপ্রাচীনকালের ঐতিহ্য।
লেখক : গবেষক, কলামিষ্ট ও  ‘হবিগঞ্জ জেলার ইতিহাস’ গ্রন্থ প্রণেতা ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন